দৈনিক বর্তমান দেশবাংলা
ঢাকা , সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ :
Logo নরসিংদীর পলাশে জমি দখলচেষ্টা, ফসল নষ্ট ও মারধরের অভিযোগ Logo বাংলাদেশের স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচয় “পহেলা বৈশাখ” উদযাপন করল বাংলাদেশ দূতাবাস, কাঠমান্ডু Logo মাধবপুরে ভিকটিম সাপোর্ট অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের নতুন কমিটি গঠন Logo চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলনে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের জোর দাবি মোঃ ফেরদৌসের Logo ভিকটিম সাপোর্ট এন্ড হিউম্যান রাইটস্ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরাইল উপজেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ এর আয়োজনে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo নাসিরনগরে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সদকা হিসেবে খাসির মাংস বিতরণ Logo কোট্টাপাড়া হাইওয়ে রাস্তার পাশে শিল্প ও পূর্ণ মেলা যানজটে ভোগান্তি দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে সাধারণ মানুষ Logo স্বপ্নের শাহজাদাপুর ব্রিজ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, উদ্বোধনের আগেই ভেঙে পড়ার আশঙ্কা Logo ৯ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন, পুনঃময়নাতদন্তের নির্দেশে এলাকায় চাঞ্চল্য
বিজ্ঞপ্তি :

আবারও লাইফসাপোর্টে শিক্ষাবিদ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম

  • প্রতিনিধির নাম:
  • আপডেট সময় ১০:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫
  • ১১৮ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক:     রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এমেরিটাস অধ্যাপক ও সাহিত্যিক সৈয়দ মনজুরুল ইসলামকে আবারও ভেন্টিলেশন সাপোর্টে (লাইফ সাপোর্ট) নেওয়া হয়েছে।শুক্রবার সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন প্রকাশনা সংস্থা অন্যপ্রকাশের প্রধান নির্বাহী মাজহারুল ইসলাম।

তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, “সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতির কারণে তাকে সকালে আবারও লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছে। স্যারের অবস্থা আশঙ্কাজনক। চিকিৎসকেরা প্রাণপণ চেষ্টা করছেন।”

শুভানুধ্যায়ীদের হাসপাতালে ভিড় না করে প্রার্থনা ও মঙ্গল কামনার জন্য পরিবারের তরফে অনুরোধ করা হয়েছে বলেও জানান মাজহারুল ইসলাম।হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গত ৩ অক্টোবর থেকে হাসপাতালে ভর্তি আছেন সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। রোববার সন্ধ্যায় তার অবস্থা ‘সংকটাপন্ন’ হলে তাকে ভেন্টিলেশন সাপোর্টে নেওয়া হয়।এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চিকিৎসকের বরাতে বাংলা একাডেমির পরিচালক কবি সরকার আমিন বলেছিলেন, “মনজুর স্যার এখন ভেন্টিলেশন সাপোর্ট ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস নিতে পারছেন।”

হাসপাতালে ভর্তির পর থেকে তার চিকিৎসার নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন অন্যপ্রকাশের প্রধান নির্বাহী মাজহারুল ইসলাম।তিনি বলেন, “স্যারের অবস্থা এখন একটু ক্রিটিক্যাল, ফলে তাকে আবারও লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছে। অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের অবস্থায় নেই।”ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক শিক্ষক ও সাহিত্যিক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম গত ৩ অক্টোবর হৃদরোগে আক্রান্ত হলে নেওয়া হয় ল্যাবএইড হাসপাতালে। সেখানে ভর্তির পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাতেই তার হার্টে দুইটি রিং পরানো হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

Admin H

জনপ্রিয় সংবাদ

নরসিংদীর পলাশে জমি দখলচেষ্টা, ফসল নষ্ট ও মারধরের অভিযোগ

আবারও লাইফসাপোর্টে শিক্ষাবিদ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম

আপডেট সময় ১০:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:     রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এমেরিটাস অধ্যাপক ও সাহিত্যিক সৈয়দ মনজুরুল ইসলামকে আবারও ভেন্টিলেশন সাপোর্টে (লাইফ সাপোর্ট) নেওয়া হয়েছে।শুক্রবার সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন প্রকাশনা সংস্থা অন্যপ্রকাশের প্রধান নির্বাহী মাজহারুল ইসলাম।

তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, “সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতির কারণে তাকে সকালে আবারও লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছে। স্যারের অবস্থা আশঙ্কাজনক। চিকিৎসকেরা প্রাণপণ চেষ্টা করছেন।”

শুভানুধ্যায়ীদের হাসপাতালে ভিড় না করে প্রার্থনা ও মঙ্গল কামনার জন্য পরিবারের তরফে অনুরোধ করা হয়েছে বলেও জানান মাজহারুল ইসলাম।হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গত ৩ অক্টোবর থেকে হাসপাতালে ভর্তি আছেন সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। রোববার সন্ধ্যায় তার অবস্থা ‘সংকটাপন্ন’ হলে তাকে ভেন্টিলেশন সাপোর্টে নেওয়া হয়।এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চিকিৎসকের বরাতে বাংলা একাডেমির পরিচালক কবি সরকার আমিন বলেছিলেন, “মনজুর স্যার এখন ভেন্টিলেশন সাপোর্ট ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস নিতে পারছেন।”

হাসপাতালে ভর্তির পর থেকে তার চিকিৎসার নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন অন্যপ্রকাশের প্রধান নির্বাহী মাজহারুল ইসলাম।তিনি বলেন, “স্যারের অবস্থা এখন একটু ক্রিটিক্যাল, ফলে তাকে আবারও লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছে। অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের অবস্থায় নেই।”ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক শিক্ষক ও সাহিত্যিক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম গত ৩ অক্টোবর হৃদরোগে আক্রান্ত হলে নেওয়া হয় ল্যাবএইড হাসপাতালে। সেখানে ভর্তির পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাতেই তার হার্টে দুইটি রিং পরানো হয়।