মোঃ ইউসুফ: ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা,সরাইল উপজেলা[গ্রামের বড়াইল/এলাকার চুন্টা ইউনিয়ন-এ ফসলি জমির উর্বর মাটি কেটে এক্সক্যাভেটর (ভেকু) দিয়ে ইটভাটায় পরিবহন করা হচ্ছে। ফলে একদিকে জমির স্থায়ী ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে ওইসব মাটিবাহী গাড়ির চলাচলে সড়কে ধুলো-বালির তীব্রতা এবং কৃষি কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দারা মোঃ হিরা মাষ্টার জানান, দিনের পর দিন *ট্রাক, ট্রাক্টর ও এক্সক্যাভেটর দিয়ে জমির গভীর মাটি তুলে নেওয়া হচ্ছে*। এতে জমির উচ্চতা কমে যাচ্ছে, চাষাবাদ অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।
অভিযোগ রয়েছে, এ সমস্ত গাড়ির চলাচলে গ্রামের কাঁচা রাস্তাগুলো ভেঙে যাচ্ছে এবং ঘরবাড়িতে ধুলো ঢুকে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ছে।
এক কৃষক মেরাজ আলী বলেন, “আমরা এখন কীভাবে জমিতে ফসল চাষ করব? জমি কেটে নিচু করে দিচ্ছে। ধান-সবজি কিছুই হবে না।”
অন্য এক অভিভাবক মোঃ রাজ্জাক জানান, “বাচ্চারা স্কুলে যায় ধুলার ভেতর দিয়ে, রাস্তায় চলাও বিপজ্জনক হয়ে গেছে।”
আরেক জন কৃষক মোঃ জামাল মিয়ার ভাষ্য এই রাস্তার মধ্যে সরকারীভাবে দুইটি ব্রিকস কালভার্ট- নির্মাণ করেদেন।জমির ফসলাধি ঘরে তোলার জন্য ইরি বরোধানের মৌসুমে। কিন্তু মাটি বোঝায়কৃত গাড়ী চলাচলে কালভার্ট দুটি ভেংগে পরেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, এই মাটি কাটার কাজ বন্ধ করা হোক, এবং উর্বর কৃষিজমির অপচয় রোধে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।