দৈনিক বর্তমান দেশবাংলা
ঢাকা , সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ :
Logo নরসিংদীর পলাশে জমি দখলচেষ্টা, ফসল নষ্ট ও মারধরের অভিযোগ Logo বাংলাদেশের স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচয় “পহেলা বৈশাখ” উদযাপন করল বাংলাদেশ দূতাবাস, কাঠমান্ডু Logo মাধবপুরে ভিকটিম সাপোর্ট অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের নতুন কমিটি গঠন Logo চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলনে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের জোর দাবি মোঃ ফেরদৌসের Logo ভিকটিম সাপোর্ট এন্ড হিউম্যান রাইটস্ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরাইল উপজেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ এর আয়োজনে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo নাসিরনগরে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সদকা হিসেবে খাসির মাংস বিতরণ Logo কোট্টাপাড়া হাইওয়ে রাস্তার পাশে শিল্প ও পূর্ণ মেলা যানজটে ভোগান্তি দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে সাধারণ মানুষ Logo স্বপ্নের শাহজাদাপুর ব্রিজ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, উদ্বোধনের আগেই ভেঙে পড়ার আশঙ্কা Logo ৯ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন, পুনঃময়নাতদন্তের নির্দেশে এলাকায় চাঞ্চল্য
বিজ্ঞপ্তি :

২০১৪ ও ২০১৮ সালে নির্বাচনের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা ২২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর পাঠিয়েছে সরকার

  • প্রতিনিধির নাম:
  • আপডেট সময় ০২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ১৩৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ ও ২০১৮ সালে নির্বাচনের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা ২২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর পাঠিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

তবে কোন কোন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে জনপ্রশাসন সচিব মোখলেস উর রহমান বলেন, উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে আওয়ামী লীগের আমলে নির্বাচনের সময় রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ডিসিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাদের কেউ সে সময় বিতর্কিত নির্বাচনের বিরোধিতা করেনি। এদের মধ্যে যাদের চাকরির বয়স ২৫ বছরের নীচে চাকরির বয়স তাদের ওএসডি করা হচ্ছে। আর চাকরি বয়স ২৫ বছরের বেশি হওয়াদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হচ্ছে।

গতকাল বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ৩৩ জন জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। এই ৩৩ জন যুগ্মসচিব পদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগে কর্মরত ছিলেন। এর আগেও একই কারণে ১২ জন কর্মকর্তাকেও ওএসডি করা হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়। চৌদ্দর নির্বাচনে নজীরবিহীনভাবে ১৫৪ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। বিএনপিসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল সে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একাই ২৩৪টি আসন পায়।

অন্যদিকে, ২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়েও অনেক প্রশ্ন ও বিতর্ক রয়েছে। সেই নির্বাচনে সকল দল অংশগ্রহণ করলেও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে একচেটিয়াভাবে নির্বাচন করার অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি ভোটের আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তি, জালভোট, কেন্দ্র দখল, ভোটে বাঁধা দেয়া ইত্যাদি অভিযোগও ওঠে। সেই নির্বাচনে ২৫৮টি আসনে জয় পায় আওয়ামী লীগ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

Admin H

জনপ্রিয় সংবাদ

নরসিংদীর পলাশে জমি দখলচেষ্টা, ফসল নষ্ট ও মারধরের অভিযোগ

২০১৪ ও ২০১৮ সালে নির্বাচনের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা ২২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর পাঠিয়েছে সরকার

আপডেট সময় ০২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ ও ২০১৮ সালে নির্বাচনের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা ২২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর পাঠিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

তবে কোন কোন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে জনপ্রশাসন সচিব মোখলেস উর রহমান বলেন, উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে আওয়ামী লীগের আমলে নির্বাচনের সময় রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ডিসিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাদের কেউ সে সময় বিতর্কিত নির্বাচনের বিরোধিতা করেনি। এদের মধ্যে যাদের চাকরির বয়স ২৫ বছরের নীচে চাকরির বয়স তাদের ওএসডি করা হচ্ছে। আর চাকরি বয়স ২৫ বছরের বেশি হওয়াদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হচ্ছে।

গতকাল বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ৩৩ জন জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। এই ৩৩ জন যুগ্মসচিব পদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগে কর্মরত ছিলেন। এর আগেও একই কারণে ১২ জন কর্মকর্তাকেও ওএসডি করা হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়। চৌদ্দর নির্বাচনে নজীরবিহীনভাবে ১৫৪ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। বিএনপিসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল সে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একাই ২৩৪টি আসন পায়।

অন্যদিকে, ২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়েও অনেক প্রশ্ন ও বিতর্ক রয়েছে। সেই নির্বাচনে সকল দল অংশগ্রহণ করলেও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে একচেটিয়াভাবে নির্বাচন করার অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি ভোটের আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তি, জালভোট, কেন্দ্র দখল, ভোটে বাঁধা দেয়া ইত্যাদি অভিযোগও ওঠে। সেই নির্বাচনে ২৫৮টি আসনে জয় পায় আওয়ামী লীগ।