দৈনিক বর্তমান দেশবাংলা
ঢাকা , শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ :
Logo চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলনে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের জোর দাবি মোঃ ফেরদৌসের Logo ভিকটিম সাপোর্ট এন্ড হিউম্যান রাইটস্ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরাইল উপজেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ এর আয়োজনে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo নাসিরনগরে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সদকা হিসেবে খাসির মাংস বিতরণ Logo কোট্টাপাড়া হাইওয়ে রাস্তার পাশে শিল্প ও পূর্ণ মেলা যানজটে ভোগান্তি দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে সাধারণ মানুষ Logo স্বপ্নের শাহজাদাপুর ব্রিজ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, উদ্বোধনের আগেই ভেঙে পড়ার আশঙ্কা Logo ৯ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন, পুনঃময়নাতদন্তের নির্দেশে এলাকায় চাঞ্চল্য Logo বড় খাল ভরাট করে কালভার্ট নির্মাণ, পানি নিস্কাশনে হুমকি — শঙ্কায় গ্রামবাসী Logo ফসলি জমির মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে ইটভাটায় , ধ্বংসের মুখে কৃষিজমি— এলাকাবাসীর প্রতিবাদ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল জায়গা বিরোধের জের ধরে একই গোষ্ঠীর মাঝে সংঘর্ষ, যৌথবাহিনির কাছে আটক নতুন জামাই
বিজ্ঞপ্তি :

সিন্ডিকেটের কারণে আমদানি বাড়লেও বাজারে ছোলার দাম ঊর্ধমুখী

  • প্রতিনিধির নাম:
  • আপডেট সময় ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৬৩ বার পড়া হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক: রমজানের অন্যতম একটি পণ্য ছোলা। ইফতারে ছোলার ব্যবহার সর্বত্র। আর এ সুযোগকে কাজে লাগাতে রমজান ঘিরে ছোলাতে থাবা বসিয়েছে সিন্ডিকেট। ফলে আমদানি বাড়লেও বাজারে ছোলার দাম ঊর্ধমুখী। অথচ গত এক মাসে দেশে সব ডালজাতীয় পণ্যের দাম ধারাবাহিকভাবে কমেছে। কিন্তু ছোলার বাজারে এখনো স্থিতিশীলতায় ফেরেনি। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া থেকে আমদানি হওয়া ছোলা পাইকারিতে ৯৭-১০৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত বছর রোজায় দেশের বাজারে প্রতি কেজি ছোলার দাম ৭৫-৮৫ টাকা ছিলো। ব্যবসায়ীদের মতে, বাজারে ছোলার পর্যাপ্ত আমদানি হচ্ছে।

কিন্তু আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো দাম না কমানোয় বাজারে পড়েনি এর প্রভাব। পাশাপাশি দাম বাড়ার উল্লেখযোগ্য একটি কারণ রোজা শুরুর আগেই বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রয়াদেশ আসতে শুরু করা। ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, আমদানিকারকরা বিশ্ববাজার থেকে কম দামে ছোলা সংগ্রহ করছে। কিন্তু আমদানির সঙ্গে মুষ্টিমেয় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান যুক্ত থাকায় দাম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমান বৈশ্বিক বাজারের হিসাবে প্রতি টন ছোলার বুকিং দর ৬৫০-৬৭০ ডলার। বর্তমান ডলার মূল্যের হিসাবে তা দেশে কেজিতে ৮৫-৯০ টাকা হওয়ার কথা। মৌসুমভিত্তিক আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ও মুষ্টিমেয় কয়েকটি ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানের মজুদ প্রবণতার কারণে রোজার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভোগ্যপণ্যটির দামে অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে।

অস্ট্রেলিয়া থেকেই সবচেয়ে বেশি ছোলা আমদানি হয়। তাছাড়া বর্তমানে তাঞ্জানিয়ার ছোলা ভারত হয়ে দেশে আসছে। একেএস, আকিজ, সিটি, নাবিলসহ বেশ কয়েকটি শিল্প গ্রুপ ছোলা আমদানি করেছে। সূত্র জানায়, ট্রেডিং প্রতিষ্ঠান ও বড় পাইকারি ব্যবসায়ীরা আমদানিকারকদের কাছ থেকে ছোলা কিনে বাজার চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করে। দেশে মাসভিত্তিক ছোলার চাহিদা গড়ে ১২-১৫ হাজার টন। তবে রমজান মাসে চাহিদা ৮-১০ গুণ বেড়ে যায়। ওই কারণে প্রায় প্রতি বছরই পণ্যটির বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে বাজারে ব্যবসায়িক মুনাফার প্রতিযোগিতা তৈরি হয়। বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি ডাবলি বা অ্যাংকরের দাম ৫৭-৫৮ টাকায় নেমে এসেছে। সাধারণত ডাবলির সঙ্গে ছোলার দামের প্রায় ২০ টাকা পার্থক্য থাকে। বর্তমানে তা প্রায় ৪০ টাকায় পৌঁছেছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ছোলা গত বছরের তুলনায় ১৫-২০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

ট্যাগস :

সম্পাদক

মোঃ হেলাল উদ্দিন

নির্বাহী সম্পাদক

আপলোডকারীর তথ্য

Admin H

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলনে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের জোর দাবি মোঃ ফেরদৌসের

সিন্ডিকেটের কারণে আমদানি বাড়লেও বাজারে ছোলার দাম ঊর্ধমুখী

আপডেট সময় ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

অর্থনীতি ডেস্ক: রমজানের অন্যতম একটি পণ্য ছোলা। ইফতারে ছোলার ব্যবহার সর্বত্র। আর এ সুযোগকে কাজে লাগাতে রমজান ঘিরে ছোলাতে থাবা বসিয়েছে সিন্ডিকেট। ফলে আমদানি বাড়লেও বাজারে ছোলার দাম ঊর্ধমুখী। অথচ গত এক মাসে দেশে সব ডালজাতীয় পণ্যের দাম ধারাবাহিকভাবে কমেছে। কিন্তু ছোলার বাজারে এখনো স্থিতিশীলতায় ফেরেনি। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া থেকে আমদানি হওয়া ছোলা পাইকারিতে ৯৭-১০৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত বছর রোজায় দেশের বাজারে প্রতি কেজি ছোলার দাম ৭৫-৮৫ টাকা ছিলো। ব্যবসায়ীদের মতে, বাজারে ছোলার পর্যাপ্ত আমদানি হচ্ছে।

কিন্তু আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো দাম না কমানোয় বাজারে পড়েনি এর প্রভাব। পাশাপাশি দাম বাড়ার উল্লেখযোগ্য একটি কারণ রোজা শুরুর আগেই বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রয়াদেশ আসতে শুরু করা। ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, আমদানিকারকরা বিশ্ববাজার থেকে কম দামে ছোলা সংগ্রহ করছে। কিন্তু আমদানির সঙ্গে মুষ্টিমেয় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান যুক্ত থাকায় দাম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমান বৈশ্বিক বাজারের হিসাবে প্রতি টন ছোলার বুকিং দর ৬৫০-৬৭০ ডলার। বর্তমান ডলার মূল্যের হিসাবে তা দেশে কেজিতে ৮৫-৯০ টাকা হওয়ার কথা। মৌসুমভিত্তিক আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ও মুষ্টিমেয় কয়েকটি ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানের মজুদ প্রবণতার কারণে রোজার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভোগ্যপণ্যটির দামে অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে।

অস্ট্রেলিয়া থেকেই সবচেয়ে বেশি ছোলা আমদানি হয়। তাছাড়া বর্তমানে তাঞ্জানিয়ার ছোলা ভারত হয়ে দেশে আসছে। একেএস, আকিজ, সিটি, নাবিলসহ বেশ কয়েকটি শিল্প গ্রুপ ছোলা আমদানি করেছে। সূত্র জানায়, ট্রেডিং প্রতিষ্ঠান ও বড় পাইকারি ব্যবসায়ীরা আমদানিকারকদের কাছ থেকে ছোলা কিনে বাজার চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করে। দেশে মাসভিত্তিক ছোলার চাহিদা গড়ে ১২-১৫ হাজার টন। তবে রমজান মাসে চাহিদা ৮-১০ গুণ বেড়ে যায়। ওই কারণে প্রায় প্রতি বছরই পণ্যটির বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে বাজারে ব্যবসায়িক মুনাফার প্রতিযোগিতা তৈরি হয়। বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি ডাবলি বা অ্যাংকরের দাম ৫৭-৫৮ টাকায় নেমে এসেছে। সাধারণত ডাবলির সঙ্গে ছোলার দামের প্রায় ২০ টাকা পার্থক্য থাকে। বর্তমানে তা প্রায় ৪০ টাকায় পৌঁছেছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ছোলা গত বছরের তুলনায় ১৫-২০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।