দৈনিক বর্তমান দেশবাংলা
ঢাকা , রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ :
Logo চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলনে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের জোর দাবি মোঃ ফেরদৌসের Logo ভিকটিম সাপোর্ট এন্ড হিউম্যান রাইটস্ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরাইল উপজেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ এর আয়োজনে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo নাসিরনগরে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সদকা হিসেবে খাসির মাংস বিতরণ Logo কোট্টাপাড়া হাইওয়ে রাস্তার পাশে শিল্প ও পূর্ণ মেলা যানজটে ভোগান্তি দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে সাধারণ মানুষ Logo স্বপ্নের শাহজাদাপুর ব্রিজ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, উদ্বোধনের আগেই ভেঙে পড়ার আশঙ্কা Logo ৯ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন, পুনঃময়নাতদন্তের নির্দেশে এলাকায় চাঞ্চল্য Logo বড় খাল ভরাট করে কালভার্ট নির্মাণ, পানি নিস্কাশনে হুমকি — শঙ্কায় গ্রামবাসী Logo ফসলি জমির মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে ইটভাটায় , ধ্বংসের মুখে কৃষিজমি— এলাকাবাসীর প্রতিবাদ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল জায়গা বিরোধের জের ধরে একই গোষ্ঠীর মাঝে সংঘর্ষ, যৌথবাহিনির কাছে আটক নতুন জামাই
বিজ্ঞপ্তি :

বড় খাল ভরাট করে কালভার্ট নির্মাণ, পানি নিস্কাশনে হুমকি — শঙ্কায় গ্রামবাসী

মোঃ ইউসুফ খাঁন: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নের ঘাগড়াজোড় এলাকায় বড় খাল ভরাট করে ছোট আকারের কালভার্ট নির্মাণ করায় পানি নিস্কাশন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়ভাবে “গাং” নামে পরিচিত খালটি বহু বছর ধরে বর্ষা মৌসুমে গ্রামের জমি, বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাটের বৃষ্টির পানি নেমে যাওয়ার প্রধান প্রাকৃতিক পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

স্থানীয়রা জানান, খালটির ওপর ইটের তৈরি এক মিটার বাই এক মিটার আকারের কালভার্ট বসানোর কাজ চলছে এবং খালের অংশ বিশেষ মাটি দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে। তাদের অভিযোগ, এত ছোট কালভার্ট দিয়ে বর্ষার পানির চাপ কোনোভাবেই সামাল দেওয়া সম্ভব নয়, বরং এতে পানি জমে গ্রামের বেশিরভাগ এলাকাই জলাবদ্ধতার ঝুঁকিতে পড়বে।

স্থানীয় কৃষক মোঃ আবুল মিয়া বলেন, “বর্ষায় পানি যেভাবে নামে, এত ছোট কালভার্টে কখনও পার হইতে পারবে না। খালটা বন্ধ হয়ে গেলে গ্রাম ডুবে যাবে।”
আরেকজন গ্রামবাসী মোঃ শরিফ বলেন, “একসময় নৌকা চলাচল থৈথৈ পানি যেত খাল দিয়ে নদীতে, এখন সেই খালটাই ভরাট করে ফেলতেছে। বর্ষায় হাঁটু–কোমর পানি উঠবে।”

গ্রামবাসীর দাবি, খালের প্রাকৃতিক প্রবাহ অক্ষুণ্ণ রেখে কমপক্ষে ৪–৫ মিটার প্রশস্ত কালভার্ট নির্মাণ করতে হবে। পাশাপাশি পুরনো খালটি যেন মাটি ফেলে বন্ধ করে দেওয়া না হয়—তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

অভিযোগ রয়েছে, চুন্টা ইউনিয়নের সদস্য মোঃ হুমায়ুন মেম্বারের প্রভাব খাটানোর কারণে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসনকে পাশ কাটিয়ে খাল ভরাটের কাজ চলছে। এতে পরিবেশ, নদী-নালা ও প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের। তারা বলেন, “এলাকার দাবি—পরিবেশ বাঁচাও।”

ট্যাগস :

সম্পাদক

মোঃ হেলাল উদ্দিন

নির্বাহী সম্পাদক

আপলোডকারীর তথ্য

Admin H

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলনে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের জোর দাবি মোঃ ফেরদৌসের

বড় খাল ভরাট করে কালভার্ট নির্মাণ, পানি নিস্কাশনে হুমকি — শঙ্কায় গ্রামবাসী

আপডেট সময় ০৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

মোঃ ইউসুফ খাঁন: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নের ঘাগড়াজোড় এলাকায় বড় খাল ভরাট করে ছোট আকারের কালভার্ট নির্মাণ করায় পানি নিস্কাশন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়ভাবে “গাং” নামে পরিচিত খালটি বহু বছর ধরে বর্ষা মৌসুমে গ্রামের জমি, বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাটের বৃষ্টির পানি নেমে যাওয়ার প্রধান প্রাকৃতিক পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

স্থানীয়রা জানান, খালটির ওপর ইটের তৈরি এক মিটার বাই এক মিটার আকারের কালভার্ট বসানোর কাজ চলছে এবং খালের অংশ বিশেষ মাটি দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে। তাদের অভিযোগ, এত ছোট কালভার্ট দিয়ে বর্ষার পানির চাপ কোনোভাবেই সামাল দেওয়া সম্ভব নয়, বরং এতে পানি জমে গ্রামের বেশিরভাগ এলাকাই জলাবদ্ধতার ঝুঁকিতে পড়বে।

স্থানীয় কৃষক মোঃ আবুল মিয়া বলেন, “বর্ষায় পানি যেভাবে নামে, এত ছোট কালভার্টে কখনও পার হইতে পারবে না। খালটা বন্ধ হয়ে গেলে গ্রাম ডুবে যাবে।”
আরেকজন গ্রামবাসী মোঃ শরিফ বলেন, “একসময় নৌকা চলাচল থৈথৈ পানি যেত খাল দিয়ে নদীতে, এখন সেই খালটাই ভরাট করে ফেলতেছে। বর্ষায় হাঁটু–কোমর পানি উঠবে।”

গ্রামবাসীর দাবি, খালের প্রাকৃতিক প্রবাহ অক্ষুণ্ণ রেখে কমপক্ষে ৪–৫ মিটার প্রশস্ত কালভার্ট নির্মাণ করতে হবে। পাশাপাশি পুরনো খালটি যেন মাটি ফেলে বন্ধ করে দেওয়া না হয়—তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

অভিযোগ রয়েছে, চুন্টা ইউনিয়নের সদস্য মোঃ হুমায়ুন মেম্বারের প্রভাব খাটানোর কারণে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসনকে পাশ কাটিয়ে খাল ভরাটের কাজ চলছে। এতে পরিবেশ, নদী-নালা ও প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের। তারা বলেন, “এলাকার দাবি—পরিবেশ বাঁচাও।”