দৈনিক বর্তমান দেশবাংলা
ঢাকা , শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ :
Logo চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলনে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের জোর দাবি মোঃ ফেরদৌসের Logo ভিকটিম সাপোর্ট এন্ড হিউম্যান রাইটস্ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরাইল উপজেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ এর আয়োজনে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo নাসিরনগরে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সদকা হিসেবে খাসির মাংস বিতরণ Logo কোট্টাপাড়া হাইওয়ে রাস্তার পাশে শিল্প ও পূর্ণ মেলা যানজটে ভোগান্তি দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে সাধারণ মানুষ Logo স্বপ্নের শাহজাদাপুর ব্রিজ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, উদ্বোধনের আগেই ভেঙে পড়ার আশঙ্কা Logo ৯ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন, পুনঃময়নাতদন্তের নির্দেশে এলাকায় চাঞ্চল্য Logo বড় খাল ভরাট করে কালভার্ট নির্মাণ, পানি নিস্কাশনে হুমকি — শঙ্কায় গ্রামবাসী Logo ফসলি জমির মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে ইটভাটায় , ধ্বংসের মুখে কৃষিজমি— এলাকাবাসীর প্রতিবাদ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল জায়গা বিরোধের জের ধরে একই গোষ্ঠীর মাঝে সংঘর্ষ, যৌথবাহিনির কাছে আটক নতুন জামাই
বিজ্ঞপ্তি :

সামরিক সক্ষমতায় কে এগিয়ে ভারত না পাকিস্তানের !

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   পাকিস্তানের ব্যালিস্টিক মিসাইল মহড়ার পর থেকেই আলোচনায় পাক-ভারত ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা। দুই দেশেরই সমরভাণ্ডারে রয়েছে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম বিভিন্ন পাল্লার মিসাইল। এরমধ্যে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা রীতিমতো তাক লাগানোর মতো।

সর্বোচ্চ ১৬ হাজার কিলোমিটার পাল্লার মিসাইল রয়েছে দেশটির সমরভাণ্ডারে। অন্যদিকে পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তৈরি করা হয়েছে ভারতকে টার্গেট করেই।

পরমাণু কর্মসূচি শুরুর পর থেকেই মিসাইল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে জোর দেয় পাকিস্তান। সময়ের সাথে সাথে উন্নতি ঘটানো হয় দেশটির ক্ষেপণাস্ত্রে। বর্তমানে আবদালি, নাসর, ঘোরি এবং গজনবির মতো স্বল্প এবং মাঝারি পাল্লার বিভিন্ন ধরণের ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে পাকিস্তানের সমরভাণ্ডারে। যেগুলো সর্বোচ্চ ৫০ কিলোটন অস্ত্র নিয়ে আঘাত হানতে পারে ২ হাজার ৭শ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে।

পরমাণু অস্ত্রের পাশাপাশি প্রচলিত অস্ত্র বহনেও সক্ষম বিভিন্ন ধরণের ক্রুজ এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরি করেছে দেশটি। রয়েছে জার্ব, আবাবিল, তৈমুর এবং বাবুরের মতো মিসাইল। যেগুলো জাহাজ, ট্যাংক এবং সাবমেরিন ধ্বংসে ব্যবহার করা হয়।

ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে ভারতের সক্ষমতাও তাক লাগানোর মতো। পাকিস্তান-চীনের মতো শক্রু মোকাবেলায় বহুমুখি ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্প হাতে নেয় দিল্লি। দেশটির সমরভান্ডারে রয়েছে অগ্নির মতো পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ব্যালিস্টিক মিসাইল যা ১৬ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

এছাড়াও পৃথ্বি, সূর্য, কালামের মতো স্বল্প এবং মাঝারি পাল্লার ব্যলিস্টিক মিসাইল রয়েছে ভারতের। পাশাপাশি ব্রহ্ম এবং নির্ভয়ের মতো ক্রুজ মিসাইল রয়েছে দেশটির কাছে। যেগুলো পরমাণু এবং প্রচলিত দুই ধরণের অস্ত্র বহনেই সক্ষম।

অন্যদিকে নাগ, অমোঘ, রুদ্র, অস্ত্র, ত্রিশূলের মতো ট্যাংক, জাহাজ এবং সাবমেরিন বিধ্বংসী বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে ভারতের কাছে। যেগুলো, আকাশ, ভূমি এবং জাহাজ থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।

তবে ভারতের সামরিক সক্ষমতাকে সবদিক থেকে এগিয়ে রেখেছে এর স্যাটেলাইট বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। চীন, রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের পর ভারত চতুর্থ দেশ যার সমরভাণ্ডারে রয়েছে স্যাটেলাইট বিধ্বংসী মিসাইল।

ট্যাগস :

সম্পাদক

মোঃ হেলাল উদ্দিন

নির্বাহী সম্পাদক

আপলোডকারীর তথ্য

Admin H

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলনে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের জোর দাবি মোঃ ফেরদৌসের

সামরিক সক্ষমতায় কে এগিয়ে ভারত না পাকিস্তানের !

আপডেট সময় ০২:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   পাকিস্তানের ব্যালিস্টিক মিসাইল মহড়ার পর থেকেই আলোচনায় পাক-ভারত ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা। দুই দেশেরই সমরভাণ্ডারে রয়েছে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম বিভিন্ন পাল্লার মিসাইল। এরমধ্যে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা রীতিমতো তাক লাগানোর মতো।

সর্বোচ্চ ১৬ হাজার কিলোমিটার পাল্লার মিসাইল রয়েছে দেশটির সমরভাণ্ডারে। অন্যদিকে পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তৈরি করা হয়েছে ভারতকে টার্গেট করেই।

পরমাণু কর্মসূচি শুরুর পর থেকেই মিসাইল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে জোর দেয় পাকিস্তান। সময়ের সাথে সাথে উন্নতি ঘটানো হয় দেশটির ক্ষেপণাস্ত্রে। বর্তমানে আবদালি, নাসর, ঘোরি এবং গজনবির মতো স্বল্প এবং মাঝারি পাল্লার বিভিন্ন ধরণের ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে পাকিস্তানের সমরভাণ্ডারে। যেগুলো সর্বোচ্চ ৫০ কিলোটন অস্ত্র নিয়ে আঘাত হানতে পারে ২ হাজার ৭শ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে।

পরমাণু অস্ত্রের পাশাপাশি প্রচলিত অস্ত্র বহনেও সক্ষম বিভিন্ন ধরণের ক্রুজ এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরি করেছে দেশটি। রয়েছে জার্ব, আবাবিল, তৈমুর এবং বাবুরের মতো মিসাইল। যেগুলো জাহাজ, ট্যাংক এবং সাবমেরিন ধ্বংসে ব্যবহার করা হয়।

ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে ভারতের সক্ষমতাও তাক লাগানোর মতো। পাকিস্তান-চীনের মতো শক্রু মোকাবেলায় বহুমুখি ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্প হাতে নেয় দিল্লি। দেশটির সমরভান্ডারে রয়েছে অগ্নির মতো পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ব্যালিস্টিক মিসাইল যা ১৬ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

এছাড়াও পৃথ্বি, সূর্য, কালামের মতো স্বল্প এবং মাঝারি পাল্লার ব্যলিস্টিক মিসাইল রয়েছে ভারতের। পাশাপাশি ব্রহ্ম এবং নির্ভয়ের মতো ক্রুজ মিসাইল রয়েছে দেশটির কাছে। যেগুলো পরমাণু এবং প্রচলিত দুই ধরণের অস্ত্র বহনেই সক্ষম।

অন্যদিকে নাগ, অমোঘ, রুদ্র, অস্ত্র, ত্রিশূলের মতো ট্যাংক, জাহাজ এবং সাবমেরিন বিধ্বংসী বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে ভারতের কাছে। যেগুলো, আকাশ, ভূমি এবং জাহাজ থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।

তবে ভারতের সামরিক সক্ষমতাকে সবদিক থেকে এগিয়ে রেখেছে এর স্যাটেলাইট বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। চীন, রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের পর ভারত চতুর্থ দেশ যার সমরভাণ্ডারে রয়েছে স্যাটেলাইট বিধ্বংসী মিসাইল।